ধারণা করা হচ্ছে পৃথিবীতে প্রায় ১১লাখের
মত ভাইরাস রয়েছে যা পশু-পাখীদের আক্রান্ত করতে পারে।আর বিজ্ঞানীরাও কোমর বেঁধে এই ১১লাখ
ভাইরাসের পেছনে লেগেছে!
কিন্তু
কেন ?
বিজ্ঞান বিষয়ক সাময়িক পত্রিকা “সায়েন্স” সম্প্রতি জানিয়েছে যে বিশ্বের বিভিন্ন
দেশের বিজ্ঞানীরা মিলে একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছেন যার নাম দিয়েছেন “Global Virome Project ” । প্রকল্পটির মেয়াদ হবে ১০ বছর।এই ১০
বছর বিজ্ঞানীরা ঐ ১১ লাখ ভাইরাস গুলোকে সনাক্ত করবে এবং সেগুলো নিয়ে গবেষণা করবে। প্রকল্পটির
উদ্দেশ্য হচ্ছে অজানা সেই সকল প্রাণীবাহিত ভাইরাস গুলোকে খুঁজে বের করা। কারন এই ভাইরাস
গুলো মানব জাতীর জন্য খুবই বিপদজনক।
![]() |
ইবোলা
ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যাক্তির হাত
|
এত ভয়ানক হওয়া সত্ত্বেও বিজ্ঞানীদের কাছে
এই ভাইরাসগুলো সমন্ধে যঠেষ্ট পরিমান তথ্য উপাত্ত নেই।ব্যাপারটা এতই ভয়ানক যে যদি কোন
ভাবে ঐসকল ভাইরাস দ্বারা মানুষ আক্রান্ত হলে সেটা দ্রুত মহামারী আকার ধারণ করবে এবং
তখন করার কিছুই খাকবে না।
পশু পাখীদের মধ্যে অনেক ধরনের ফ্লু,প্লেগ,ম্যালেরিযা
সহ ভয়াবহ সব রোগের ভাইরাস পাওয়া যায় যা মানুষদেরও আক্রান্ত করে।অতি সম্প্রতী আমরা চিকন
গোনিয়া,ডেঙ্গু জ্বর,ম্যালেরিয়া,সোয়াইন ফ্লু, বার্ড ফ্লু, ইবোলা ভাইরাস ও জিকা ভাইরাসের
নাম শুনেছি। এই সব গুলো জীবানু এসেছে পশু,পাখী ও কীট পতঙ্গ থেকে। ইতিহাসও স্বাক্ষ দেয়
পৃথিবীর সকল ভয়াবহ মহামারীর উৎস ছিল প্রাণীবাহিত জীবাণু।
“
এই সকল ভাইরাসগুলো হচ্ছে মানব জাতীর শত্রু কিন্তু শত্রু সম্পর্কে আমাদের জ্ঞান পর্যাপ্ত
নয়
”
আজ
পযর্ন্ত মাত্র ২৬৭ এর মত ভাইরাসের সন্ধান পাওয়া গেছে। বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন
ঐ ১১ লাখের মধ্যে ৬,৩১০০০ থেকে ৮,২৭০০০ ভাইরাস মানুষকে আক্রান্ত করতে পারে।বিজ্ঞানীরা
আশা করছেন আগামী দশ বছরের মধ্যে প্রায় ৭০% ভাইরাস সনাক্ত করা সম্ভব হবে। পুরো প্রকল্পটির
জন্য ব্যায় ধরা হয়েছে ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।


0 মন্তব্য:
Post a Comment